info@miiplc.com Red Crescent Bhaban, Motijheel C/A, Dhaka-1000
Shariah-based Insurance
পর্যালোচনা করেছেন Tania Ahamed, Manager, Travel Department · Mercantile Islami Insurance PLC
বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল D1 ওয়ার্ক ভিসা ও ইন্স্যুরেন্স — €৩০,০০০ কভার, QR কোডসহ পলিসি

সংক্ষেপে উত্তর: পর্তুগালের Job Seeker ভিসা বন্ধ (২৩ অক্টোবর ২০২৫ থেকে), কিন্তু D1 ওয়ার্ক ভিসা চালু আছে — যদি পর্তুগালের কোনো কোম্পানির সাথে কমপক্ষে ১২ মাসের চাকরির চুক্তি থাকে। বাংলাদেশিরা আবেদন করেন শুধু VFS নয়াদিল্লিতে, ভারতের Double Entry ভিসা নিয়ে। ইন্স্যুরেন্সের জন্য দূতাবাস চায় কমপক্ষে €৩০,০০০ কভার, পুরো থাকার সময়ের জন্য, QR কোডসহ অরিজিনাল পলিসি — আর সেটা কিনতে হবে বাংলাদেশ থেকেই।

"পর্তুগাল ভিসা কি বন্ধ?" "ঢাকা থেকে কি আবেদন করা যায়?" "দূতাবাস কোন ইন্স্যুরেন্স চায়?" — পর্তুগাল নিয়ে বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি এই প্রশ্নগুলোই করেন। নয়াদিল্লির পর্তুগাল দূতাবাসের নিজস্ব D1 চেকলিস্ট থেকে সব উত্তর এখানে সহজ ভাষায়, ধাপে ধাপে।

💡 এখনই দাম জানতে চান? ১ বছরের ওয়ার্ক ভিসার দাম দেখুন — ফর্মে "Employment (For Visa)" আর ৩৬৫ দিন আগে থেকেই বসানো থাকবে।

পর্তুগাল ভিসা কি বন্ধ?

না — তবে একটা পথ বন্ধ হয়েছে।

ভিসাঅবস্থা
Job Seeker ভিসা (আগে গিয়ে পরে চাকরি খোঁজা)❌ ২৩ অক্টোবর ২০২৫ থেকে বন্ধ (আইন ৬১/২০২৫)। আইনে খুব দক্ষ কর্মীদের জন্য নতুন একটা ভিসার কথা আছে, কিন্তু নয়াদিল্লি দূতাবাসের তালিকায় সেটা নেই।
D1 ওয়ার্ক ভিসা (চাকরি আগেই ঠিক)✅ চালু — কমপক্ষে ১২ মাসের সই করা চাকরির চুক্তি বা জব অফার লাগবে

তাই কেউ যদি এখন পর্তুগালের "Job Seeker" ভিসার কথা বলে টাকা চায়, সাবধান। নিরাপদ পথ একটাই — আসল চাকরির চুক্তি আর D1 ভিসা।

D1 ভিসা কী?

  • কাজের জন্য রেসিডেন্স ভিসা — যাঁদের পর্তুগালের কোম্পানির জব অফার বা চুক্তি আছে, তাঁদের জন্য।
  • চুক্তি হতে হবে কমপক্ষে ১২ মাসের।
  • ভিসার মেয়াদ ৪ মাস (১২০ দিন), দুইবার ঢোকা যায়।
  • এই ৪ মাসের মধ্যে পর্তুগালে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করতে হয় (AIMA — পর্তুগালের ইমিগ্রেশন অফিসে)।

বাংলাদেশিরা কোথায় আবেদন করবেন?

জাতীয় (D) ভিসার জন্য ঢাকায় পর্তুগালের কোনো ভিসা সেন্টার নেই। বাংলাদেশ দেখে নয়াদিল্লির পর্তুগাল দূতাবাস, আর ফাইল জমা দিতে হয় শুধু VFS Global, নয়াদিল্লিতে।

তাই আগে লাগবে ভারতের ভিসা:

  • ধরন: Double Entry (X) ভিসা, ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন থেকে
  • মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ মাস; প্রতিবার ভারতে থাকা যাবে ১৫ দিনের কম; মেয়াদ বাড়ানো যায় না
  • এই ভারতীয় ভিসা ছাড়া VFS ফাইল নেবে না

VFS অ্যাপয়েন্টমেন্ট কীভাবে পাবেন

অনেকেই এটা জানেন না: D1-এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিজে বুক করা যায় না।

  1. পর্তুগালের নিয়োগকর্তা (কোম্পানি) নয়াদিল্লি দূতাবাসের ভিসা বিভাগে চাওয়া কাগজপত্রসহ ইমেইল করে।
  2. দূতাবাস যাচাই করে অনুরোধটা গ্রহণ করে।
  3. VFS আপনাকে ইমেইলে তারিখ জানায়। তারিখ ঠিক করে দূতাবাস, অনুরোধ আসার ক্রম অনুযায়ী।

⚠️ "আগে স্লট পাইয়ে দেব" — এমন প্রস্তাবে সাবধান। দূতাবাস নিজেই বলেছে, আগে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য কাউকে টাকা দেবেন না। স্লট আসে শুধু আপনার নিয়োগকর্তার অনুরোধে।

D1 ভিসার কাগজপত্রের তালিকা

নয়াদিল্লির চেকলিস্টে এই ক্রমেই কাগজ চাওয়া হয়েছে (ছবিতে চাপ দিলে বড় হবে):

পর্তুগাল D1 ওয়ার্ক ভিসার চেকলিস্ট — কাগজপত্র, VFS নয়াদিল্লি আর QR কোডসহ €৩০,০০০ ইন্স্যুরেন্স
  1. জাতীয় ভিসার আবেদন ফর্ম — পূরণ করা ও সই করা, সব পাতা।
  2. পাসপোর্ট — গত ১০ বছরের মধ্যে ইস্যু করা, ফেরার পরও ৩ মাস মেয়াদ, ২টা খালি পাতা। বাংলাদেশিরা ছবির পাতার একটা রঙিন কপিও দেবেন।
  3. ২টা ছবি — সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ৬ মাসের বেশি পুরনো নয়।
  4. ১২ মাসের খরচ চালানোর প্রমাণ — চুক্তির বেতনই গোনা হয়; নিয়োগকর্তা "দায়িত্বের ঘোষণা" (term of responsibility) সই করেও দিতে পারে।
  5. ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (অরিজিনাল) — নিচের অংশ দেখুন।
  6. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স — ৩ মাসের বেশি পুরনো নয়, জমা দেওয়ার আগেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর দূতাবাস থেকে সত্যায়িত।
  7. পর্তুগালে থাকার জায়গার প্রমাণ — অথবা নিয়োগকর্তার দায়িত্বের ঘোষণা।
  8. চাকরির চুক্তি — আপনার আর নিয়োগকর্তার সই করা, কমপক্ষে ১২ মাসের।
  9. পেশাগত সার্টিফিকেট — শুধু যদি আপনার পেশা পর্তুগালে নিয়ন্ত্রিত (regulated) হয়।

সব কাগজ পর্তুগিজ বা ইংরেজিতে হতে হবে (না হলে অনুবাদসহ)। জমা দেওয়ার আগে অবশ্যই VFS-এর সর্বশেষ D1 চেকলিস্ট মিলিয়ে নিন।

পর্তুগাল D1 ভিসার ইন্স্যুরেন্স — ৬টা নিয়ম

অনেক ফাইল এখানেই আটকায়। দূতাবাসের চেকলিস্ট চায়:

  • ✓ কমপক্ষে €৩০,০০০ (বা ৫০,০০০ USD/CHF) চিকিৎসা কভার।
  • ✓ Repatriation — গুরুতর অসুস্থ হলে দেশে ফেরত পাঠানোর খরচ।
  • ✓ জরুরি চিকিৎসা আর হাসপাতালে ভর্তির খরচ।
  • ✓ পর্তুগালে থাকার পুরো সময় — শুধু প্রথম কয়েক সপ্তাহ নয়।
  • ✓ অরিজিনাল পলিসি, QR কোডসহ — যাতে যাচাই করা যায়।
  • ✓ নিজের দেশ থেকে কেনা। চেকলিস্টে লেখা আছে, ভারতের বাইরের আবেদনকারীরা নিজের দেশ থেকে ইন্স্যুরেন্স কিনবেন — তাই দিল্লিতে গিয়ে ভারতের পলিসি নয়, বাংলাদেশ থেকেই কিনুন।

কত দিনের ইন্স্যুরেন্স নেবেন?

মেয়াদচলবে কি?
৩ মাস (৯০ দিন)❌ কম — D1 ভিসাই ৪ মাসের
৪ মাস (১২০ দিন)সর্বনিম্ন — ভিসার মেয়াদের সমান
৬ মাসরেসিডেন্স পারমিট হওয়া পর্যন্ত বাড়তি সময়
১২ মাসসবচেয়ে নিরাপদ — চেকলিস্ট পুরো থাকার সময় চায়, আর চুক্তিও ১২ মাসের

খরচ কত?

MIIPLC-এর Employment (For Visa) প্ল্যান, পর্তুগালসহ Schengen দেশের জন্য (€৩০,০০০ কভার), ১৫% VAT সহ, ৪০ বছর পর্যন্ত:

মেয়াদদাম
৪ মাসদাম দেখুন
৬ মাস১৫,২০১ টাকা
১২ মাস৩০,৪০৪ টাকা

দাম যাচাই: 23 October 2026। আপনার বয়স আর তারিখ অনুযায়ী আসল দাম একটু আলাদা হতে পারে।

MIIPLC পলিসি কেন D1 চেকলিস্টের সাথে মেলে

  • €৩০,০০০ চিকিৎসা কভার, repatriation সহ — পর্তুগাল আর সব Schengen দেশে বৈধ।
  • প্রতিটা সার্টিফিকেটে QR কোড — VFS বা দূতাবাস সহজেই যাচাই করতে পারে।
  • Employment প্ল্যান ৯০ দিন থেকে ১ বছর পর্যন্ত।
  • বাংলাদেশ থেকে কেনা, যেমনটা চেকলিস্ট চায়। IDRA-র লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শরিয়াহভিত্তিক, AA ক্রেডিট রেটিং।
  • অনলাইনে কিনুন, bKash, Nagad, কার্ড বা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে টাকা দিন — সার্টিফিকেট সাধারণত কয়েক মিনিটেই চলে আসে।

নিয়োগকর্তা বা দূতাবাস কত দিনের পলিসি চায়, নিশ্চিত না হলে কেনার আগে আমাদের ট্রাভেল বিশেষজ্ঞকে কল বা WhatsApp করুন।

পুরো পথ ৭ ধাপে

  1. পর্তুগালের কোম্পানি থেকে আসল চাকরির চুক্তি নিন (১২ মাস বা বেশি)।
  2. কাগজ তৈরি করুন — পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (সত্যায়িত), পাসপোর্ট, ছবি, থাকার জায়গার প্রমাণ।
  3. ইন্স্যুরেন্স কিনুন — €৩০,০০০, QR কোডসহ অরিজিনাল, কমপক্ষে ৪ মাস (১২ মাস সবচেয়ে নিরাপদ)।
  4. নিয়োগকর্তা দূতাবাসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইবে (নয়াদিল্লি)।
  5. VFS-এর তারিখ জানলে ভারতের Double Entry ভিসা নিন।
  6. VFS নয়াদিল্লিতে ফাইল জমা দিন। সিদ্ধান্ত আসতে সাধারণত প্রায় ৬০ দিন লাগে।
  7. পর্তুগালে পৌঁছে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করুন — ভিসার ৪ মাসের মধ্যে।

৬টা সাধারণ ভুল — আর কী করবেন

ভুলকী করবেন
"Job Seeker" ভিসার জন্য দালালকে টাকা দেওয়াওই ভিসা বন্ধ — D1-এর জন্য আসল চাকরির চুক্তি নিন
"আগে VFS স্লট" কিনতে টাকা দেওয়াস্লট আসে শুধু নিয়োগকর্তার অনুরোধে, দূতাবাসের মাধ্যমে
৯০ দিনের পলিসি কেনাভিসা ৪ মাসের — কমপক্ষে ১২০ দিন, ভালো হয় ১২ মাস
দিল্লিতে গিয়ে ভারতের পলিসি কেনাবাংলাদেশ থেকে কিনুন — চেকলিস্টেই বলা আছে
QR কোড ছাড়া পলিসি, বা শুধু ফটোকপিQR কোডসহ অরিজিনাল সার্টিফিকেট নিয়ে যান
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সত্যায়িত নয়, বা ৩ মাসের বেশি পুরনোদিল্লি যাওয়ার আগেই সত্যায়িত করে নিন

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

পর্তুগাল ভিসা কি বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ?

না। Job Seeker ভিসা ২৩ অক্টোবর ২০২৫ থেকে বন্ধ, কিন্তু পর্তুগালের কোম্পানির সাথে কমপক্ষে ১২ মাসের চুক্তি থাকলে D1 ওয়ার্ক ভিসা চালু আছে।

ঢাকা থেকে কি পর্তুগালের ওয়ার্ক ভিসার আবেদন করা যায়?

না। বাংলাদেশিরা ফাইল জমা দেন নয়াদিল্লির VFS Global-এ, যা নয়াদিল্লির পর্তুগাল দূতাবাসের হয়ে কাজ করে। সেখানে যেতে ভারতের Double Entry ভিসা লাগে।

পর্তুগাল D1-এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট কীভাবে পাব?

নিজে বুক করা যায় না। পর্তুগালের নিয়োগকর্তা নয়াদিল্লি দূতাবাসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট চায়, তারপর VFS আপনাকে ইমেইলে তারিখ জানায়।

পর্তুগাল D1 ভিসা হতে কত দিন লাগে?

ফাইল দূতাবাসে পৌঁছানোর পর সাধারণত প্রায় ৬০ দিন। দূতাবাস ইন্টারভিউ বা বাড়তি কাগজ চাইলে আরও বেশি লাগতে পারে।

পর্তুগাল ওয়ার্ক ভিসায় কোন ইন্স্যুরেন্স লাগে?

কমপক্ষে €৩০,০০০ চিকিৎসা কভার — repatriation আর জরুরি হাসপাতালের খরচসহ, পুরো থাকার সময়ের জন্য। QR কোডসহ অরিজিনাল পলিসি হতে হবে, নিজের দেশ থেকে কেনা।

বাংলাদেশের ইন্স্যুরেন্স কি পর্তুগাল ভিসায় চলে?

হ্যাঁ। নয়াদিল্লির চেকলিস্টে লেখা আছে, ভারতের বাইরের আবেদনকারীরা নিজের দেশ থেকে ইন্স্যুরেন্স কিনবেন। €৩০,০০০-এর নিয়ম মানা আর QR কোড থাকা বাংলাদেশি পলিসি চলবে।

D1 ভিসায় কি ৯০ দিনের পলিসি চলবে?

না। D1 ভিসার মেয়াদ ৪ মাস (১২০ দিন), তাই কমপক্ষে ৪ মাসের পলিসি নিন। চেকলিস্ট পুরো থাকার সময় চায় আর চুক্তিও ১২ মাসের, তাই ১ বছরের পলিসিই সবচেয়ে নিরাপদ।

পর্তুগাল ওয়ার্ক ভিসার ইন্স্যুরেন্সের খরচ কত?

MIIPLC-এ ৬ মাস ১৫,২০১ টাকা আর ১২ মাস ৩০,৪০৪ টাকা (VAT সহ, ৪০ বছর পর্যন্ত, দাম যাচাই 23 October 2026)। ৪ মাসের দাম quote ফর্মে দেখা যায়।

পর্তুগালে পৌঁছানোর পর কী করতে হয়?

D1 ভিসায় ৪ মাস থাকা যায়। এর মধ্যে পর্তুগালের ইমিগ্রেশন অফিস AIMA-তে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করতে হয়।

MIIPLC-এর সার্টিফিকেট কত তাড়াতাড়ি পাব?

অনলাইনে টাকা দেওয়ার পর সাধারণত কয়েক মিনিটেই, QR কোডসহ।

যাওয়ার আগে

সহজ কথা: ১২ মাসের আসল চাকরির চুক্তি নিন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইবে নিয়োগকর্তা, বাংলাদেশ থেকে QR কোডসহ €৩০,০০০-এর পলিসি কিনুন — ১২ মাসেরটা সবচেয়ে নিরাপদ — আর ভারতের ভিসা নিয়ে VFS নয়াদিল্লিতে জমা দিন।

দ্রষ্টব্য: এই লেখা শুধু সাধারণ তথ্যের জন্য। তথ্যের উৎস: নয়াদিল্লির পর্তুগাল দূতাবাসের D1 চেকলিস্ট ও ভিসার পাতা, VFS Global-এর পর্তুগাল চেকলিস্ট আর পর্তুগালের আইন ৬১/২০২৫। ভিসার নিয়ম বদলায় — আবেদনের আগে দূতাবাসের সর্বশেষ চেকলিস্ট দেখুন, আর কেনার আগে পলিসির শর্ত, সীমা ও ব্যতিক্রম পড়ে নিন।

#পর্তুগাল #ওয়ার্ক ভিসা #D1 #Schengen #MIIPLC